এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাসকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১০টার দিকে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে নতুন জেলা কমিটি প্রত্যাখান ও আওয়ামীলীগ পুনর্বাসনের দায়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্র-জনতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দরা।
বিক্ষোভ মিছিলে প্রীতম দাসের বিরুদ্ধে এনসিপি’র আড়ালে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন সাধারণ ছাত্ররা।
তাঁরা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত যোদ্ধা বা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা ছাড়াই রাতের আঁধারে বিতর্কিতদের নিয়ে এই সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সহযোগীতা করেছেন প্রীতম দাস, এ বিষয়ে ছাত্ররা প্রতিবাদ করলে তাদের মামলা-হামলার হুমকি দেন তিনি।
জানা গেছে, কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছে ফার্মেসি ব্যবসায়ী খালেদ হাসানকে। যুগ্ম সমন্বয়কারীর দায়িত্বে রাখা হয়েছে নয় জনকে। তারা হলেন ফাহাদ আলম, এহসান জাকারিয়া, মো: ইকবাল হোসেন, রুমন কবির, শামায়েল রহমান, নিলয় রশিদ, সানাউল ইসলাম সুয়েজ, শাহ মিসবাহ ও সৌমিত্র দেব ছাড়াও ২১ জনকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
এই কমিটি আগামী তিন মাস অথবা নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পূর্ব পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ১৮ জুন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মূখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পর থেকেই মুলত বিভিন্ন মাধ্যমে সরব হন পদবঞ্চিতরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে ওঠে সমালোচনার ঝড়।
কমিটিতে ফাহাদ আলম ও সদস্য বৈশিষ্ট্য গোয়ালার ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। আওয়ামী লীগের নির্বাচন, বিভিন্ন মিছিল ও সভায় তাদের ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
এদিকে নতুন প্রধান সমন্বয়কারী খালেদ হাসান নিজেকে একজন ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে বলেন, কমিটির বেশির ভাগ সদস্যরাই ব্যবসায়ী, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠানের। আওয়ামী লীগ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তিনি নিজেও অবগত নন এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তেই তাদের নাম অনুমোদন করা হয়েছে। জেলার রাজনীতিতে এনসিপির অবস্থান আর সুদৃঢ় করতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।
Fans
Fans